মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কম দামেই চামড়া কিনেছেন

মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কম দামেই চামড়া কিনেছেন
প্রতিবছর দেশে যে পরিমাণ চামড়া সংগৃহীত হয়, তার অর্ধেকের বেশি আসে ঈদুল আজহায় কোরবানি হওয়া পশু থেকে। এবারের ঈদে পশুর চামড়ার দাম নিয়ে মাঠপর্যায়ের ব্যবসায়ীরা অসন্তুষ্ট। অন্যদিকে ছুটির আমেজ শেষ হলেই সাভারের চামড়াশিল্প নগরে চামড়া প্রক্রিয়াকরণ শুরু হবে। যদিও সেখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে জটিলতার নিরসন হয়নি। এসব বিষয় নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ । সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শুভংকর কর্মকার
প্রথম আলো: এবার কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা কি পূরণ হবে?
শাহীন আহমেদ: এবার ৫০ থেকে ৬০ লাখ গরু এবং ২৫-৩০ লাখ মহিষ ও ছাগলের চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। আমাদের অনুমান, প্রতিবছর কোরবানি হওয়া পশুর সংখ্যা ১০ শতাংশ করে বাড়ে। তবে এ বছর বন্যার কারণে গত বছরের চেয়ে ৫ শতাংশ কম হয়েছে। ফলে গরুর চামড়া সংগ্রহ ৫০ লাখের বেশি হবে না।প্রথম আলো: সংগ্রহ কম হওয়ায় দেশের চামড়াশিল্পে কি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে?
শাহীন আহমেদ: হেমায়েতপুরে ইতিমধ্যে ৭০টি ট্যানারি চালু হয়েছে। এক মাসের মধ্যে আরও ২০ থেকে ২৫টি ট্যানারি উৎপাদন শুরু করবে। এসব ট্যানারির চামড়া প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা হাজারীবাগের চেয়ে চার গুণ বেড়েছে। চামড়া সংগ্রহ কম হলে তো উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করা যাবে না। শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

Leave a reply

Minimum length: 20 characters ::