প্রাঙ্গণে প্রাণের বন্ধু

প্রাঙ্গণে প্রাণের বন্ধু

বন্ধু জিনিসটা যে কী, সেটা বুঝতে বুঝতেই বেজে যায় স্কুলের শেষ ঘণ্টাটা। কে আসলে বন্ধু, বন্ধুর দরকারই বা কী—এমন ভাবনার বয়সও তো হয় না। কত বন্ধু হারিয়ে যায় এভাবে! ক্লাস থ্রিতে বা ফাইভে, কিংবা সেভেনে যাদের পাশের সিটে বসা ছিল রীতিমতো নিয়ম, সেসব বন্ধু আজ কোথায়?

আর কলেজের বন্ধুত্ব? মোটে তো দেড়টা বছর। বন্ধুত্ব শুরু হতে না-হতেই শেষ। ব্যতিক্রম যে নেই, তা নয়। তবু মোটা দাগে, স্কুল-কলেজের বন্ধুরা হারিয়ে যায়। সায়ানের একটা গানের কথায় আছে, ‘কেন বাড়লে বয়স ছোটবেলার বন্ধু হারিয়ে যায়?’

এমনই হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছড়াতে থাকে বন্ধুরা। পাল্টাতে থাকে বন্ধুদের পরিবেশ, সেই সঙ্গে পাল্টাতে থাকে মানসিকতা। বন্ধুত্বের বাঁধনটাও হয়ে যায় নড়বড়ে। শেষ পর্যন্ত কেবল থেকে যায় মাঝেমধ্যে ফেসবুকে হাই, হ্যালো!

তবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন মানেই অদ্ভুত সব বন্ধুত্বের গল্প। মানে আড্ডা, মানে প্রাণখুলে গান, মানে হইচই, তর্কবিতর্ক। কত ঝগড়া, রেষারেষির পর আবার গলাগলি। ফার্স্ট ইয়ারে ক্লাসের সবাই বন্ধু, আস্তে আস্তে সেটা সীমাবদ্ধ হয় পাঁচ-ছয়জনের গ্রুপে। একসঙ্গে ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, গ্রুপ স্টাডি, বিকেলবেলায় আড্ডা, এখানে-সেখানে ঘুরতে যাওয়া, রাত জেগে ক্যাম্পাসে বারবিকিউ আয়োজন—সবই চলে।

Leave a reply

Minimum length: 20 characters ::